আমরা আগেই জেনেছি যে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র কি এবং এর
প্রপার্টি। যদি তুমি
না জেনে থাকো, তবে এখানে Click করে তা পড়ে
নিতে পারো। এখন আমরা ওই সূত্রেরই একটি অংশ মহাকর্ষীয় ধ্রুবক
সম্পর্কে জানব। আমরা সূত্র তো জেনেছি কিন্তু যদি মহাকর্ষীয়
ধ্রুবকের মান না জানি, তবে আমাদের কাছে যে কোন দুটি বস্তুর
ভর
এবং তাদের মধ্যের দূরত্ব থাকলেও তাদের মধ্যে আকর্ষণ বল কতটা
তা জানতে পারব না। তাই মহাকর্ষীয় ধ্রুবক সম্পর্কেও আমাদের
জানা অত্যন্ত জরুরি। খুব সহজভাবে ছোট করে নিচে বর্ণনা করা
হল
যাতে তোমাদের বুঝতে বেশি অসুবিধা না হয় এবং সহজে মনে
রাখতে পারো।
মহাকর্ষীয়
ধ্রুবক [Gravitational Constant]
আমরা জানি,
F G
এখন, যদি বস্তু দুটির
ভর সমান এবং 1 হয়,
m1 = m2 =1
এবং,তাদের মধ্যে দূরত্ব r যদি 1 হয়, অর্থাৎ r = 1 হলে,
এই সমীকরণটি হবে –
F G
এখান থেকে মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের সংজ্ঞা নির্ণয় করা যায়।
সংজ্ঞাঃ
দুটি একক ভর বিশিষ্ট বস্তুকণা একক দূরত্বের ব্যবধানে থেকে
পরস্পরকে যে পরিমান বল দ্বারা আকর্ষণ করে তাকে মহাকর্ষীয়
ধ্রুবক বলা হয়।
এককঃ
G এর একক =
সুতরাং, বিভিন্ন পদ্ধতিতে মহাকর্ষীয় ধ্রুবক G এর একক গুলি হল –
v CGS পদ্ধতিতে : ডাইন . (সেমি)2/(গ্রাম)2 [dyn . cm2/g2]
v FPS পদ্ধতিতে : পাউন্ডাল . ফুট2 /পাউন্ড2 [poundal . ft2/ lb2]
v SI পদ্ধতিতে : নিউটন . মিটার2 / কিগ্রা2 [N . m2 / kg2]
মাত্রাঃ
আমরা জানি,
=
=
=
এতএব, G এর মাত্রা =
=
=
মানঃ
মহাকর্ষ ধ্রুবক -এর মান
হল-
G = 6.67 × 10-8 dyn . cm2/g2 [CGS একক]
=1.07 × 10-9 poundal . ft2/ lb2 [FPS একক]
= 6.67 × 10-11 [SI একক]
তাহলে, আমরা জানতে পারলাম যে 1 m দূরত্বের ব্যবধানে 1 kg
ভরের দুটি বস্তু রাখলে, তারা পরস্পরকে 6.67 × 10-11 N বলে
আকর্ষণ করে। এই বল এতটাই মানে কম হয় যে তা আমরা আমাদের
প্রাত্যহিক জীবনে অনুভব করতে পারি
না।

.png)
.png)
Comments
Post a Comment